Bengali Abridged Explanation of the Quran — আল-কারিয়া 101:1 – আন-নাস 114:6
Contents
- আল-কারিয়া 101:1
- আল-কারিয়া 101:2
- আল-কারিয়া 101:3
- আল-কারিয়া 101:4
- আল-কারিয়া 101:5
- আল-কারিয়া 101:6
- আল-কারিয়া 101:7
- আল-কারিয়া 101:8
- আল-কারিয়া 101:9
- আল-কারিয়া 101:10
- আল-কারিয়া 101:11
- আত-তাকাসুর 102:1
- আত-তাকাসুর 102:2
- আত-তাকাসুর 102:3
- আত-তাকাসুর 102:4
- আত-তাকাসুর 102:5
- আত-তাকাসুর 102:6
- আত-তাকাসুর 102:7
- আত-তাকাসুর 102:8
- আল-আসর 103:1
- আল-আসর 103:2
- আল-আসর 103:3
- আল-হুমাযা 104:1
- আল-হুমাযা 104:2
- আল-হুমাযা 104:3
- আল-হুমাযা 104:4
- আল-হুমাযা 104:5
- আল-হুমাযা 104:6
- আল-হুমাযা 104:7
- আল-হুমাযা 104:8
- আল-হুমাযা 104:9
- আল-ফীল 105:1
- আল-ফীল 105:2
- আল-ফীল 105:3
- আল-ফীল 105:4
- আল-ফীল 105:5
- কুরাইশ 106:1
- কুরাইশ 106:2
- কুরাইশ 106:3
- কুরাইশ 106:4
- আল-মাউন 107:1
- আল-মাউন 107:2
- আল-মাউন 107:3
- আল-মাউন 107:4
- আল-মাউন 107:5
- আল-মাউন 107:6
- আল-মাউন 107:7
- আল-কাউসার 108:1
- আল-কাউসার 108:2
- আল-কাউসার 108:3
- আল-কাফিরুন 109:1
- আল-কাফিরুন 109:2
- আল-কাফিরুন 109:3
- আল-কাফিরুন 109:4
- আল-কাফিরুন 109:5
- আল-কাফিরুন 109:6
- আন-নাসর 110:1
- আন-নাসর 110:2
- আন-নাসর 110:3
- আল-মাসাদ 111:1
- আল-মাসাদ 111:2
- আল-মাসাদ 111:3
- আল-মাসাদ 111:4
- আল-মাসাদ 111:5
- আল-ইখলাস 112:1
- আল-ইখলাস 112:2
- আল-ইখলাস 112:3
- আল-ইখলাস 112:4
- আল-ফালাক 113:1
- আল-ফালাক 113:2
- আল-ফালাক 113:3
- আল-ফালাক 113:4
- আল-ফালাক 113:5
- আন-নাস 114:1
- আন-নাস 114:2
- আন-নাস 114:3
- আন-নাস 114:4
- আন-নাস 114:5
- আন-নাস 114:6
আল-কারিয়া 101:1
১. যে মহাকাল নিজ কঠিন ভয়াবহতা নিয়ে মানুষের অন্তরকে করাঘাত করবে।
আল-কারিয়া 101:2
২. এ কেমন মহাকাল যা তার কঠিন ভয়াবহতা নিয়ে মানুষের অন্তরকে করাঘাত করবে?!
আল-কারিয়া 101:3
৩. হে রাসূল! আপনি কি জানেন, এ মহাকাল যা তার ভয়াবহতা নিয়ে মানুষের অন্তরকে করাঘাত করবে তা কিয়ামত দিবস?!
আল-কারিয়া 101:4
৪. যে দিন মহাকাল মানুষের আন্তঃকরণগুলোকে করাঘাত করবে তারা সে দিন বিক্ষিপ্ত পতঙ্গের ন্যায় এ দিক সে দিক ছুটাছুটি করবে।
আল-কারিয়া 101:5
৫. পর্বতমালা হবে ক্ষিপ্র গতি ও নড়াচড়ায় ধূনিত রঙ্গীন পশমের ন্যায়।
আল-কারিয়া 101:6
৬. ফলে যার নেক আমল মন্দ আমলের উপর প্রাধান্য পাবে।
আল-কারিয়া 101:7
৭. সে জান্নাতে সন্তোষজনক জীবন পেয়ে সুখী হবে।
আল-কারিয়া 101:8
৮. পক্ষান্তরে যার পাপের পাল্লা পুণ্যের অপেক্ষা ভারী হবে।
আল-কারিয়া 101:9
৯. কিয়ামত দিবসে তার ঠিকানা ও আবাসন হবে জাহান্নাম।
আল-কারিয়া 101:10
১০. হে রাসূল! আপনি কি জানেন, তা কী?!
আল-কারিয়া 101:11
১১. তা হলো অতি উত্তপ্ত অগ্নি।
আত-তাকাসুর 102:1
১. হে লোকসকল! সন্তানসন্ততি ও সম্পদের প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে আল্লাহর আনুগত্য থেকে মোহাচ্ছন্ন করে রেখেছে।
আত-তাকাসুর 102:2
২. যে পর্যন্ত না তোমরা মারা গিয়ে কবরে পৌঁছো।
আত-তাকাসুর 102:3
৩. তোমাদের জন্য আদৗ এ প্রতিযোগিতায় মোহাচ্ছন্ন হওয়া উচিৎ ছিলো না। যা তোমাদেরকে আল্লাহর আনুগত্য থেকে বিরত রাখে। তবে অচিরেই তোমরা এ মোহাচ্ছন্নতার পরিণতি সম্পর্কে অবগত হবে।
আত-তাকাসুর 102:4
৪. অতঃপর আবারো বলছি, শীঘ্রই তোমরা এর পরিণতি সম্পর্কে অবগত হবে।
আত-তাকাসুর 102:5
৫. বাস্তবে যদি তোমরা নিশ্চিতভাবে জানতে যে, আল্লাহ তোমাদেরকে পুনরুত্থিত করবেন এবং তিনি অচিরেই তোমাদের আমলের প্রতিদান দিবেন তাহলে তোমরা সম্পদ ও সন্তানাদির প্রতিযোগিতা নিয়ে ব্যস্ত হতে না।
আত-তাকাসুর 102:6
৬. আল্লাহর শপথ! তোমরা অবশ্যই কিয়ামত দিবসে আগুন প্রত্যক্ষ করবে।
আত-তাকাসুর 102:7
৭. অতঃপর আবারো বলছি, তোমরা অবশ্যই নিশ্চিতভাবে তা নিজেদের চোখ দিয়ে দেখতে পাবে। তাতে কোনরূপ সন্দেহ নেই।
আত-তাকাসুর 102:8
৮. অতঃপর অবশ্যই আল্লাহ তোমাদেরকে সে দিন তাঁর পক্ষ থেকে প্রদত্ত স্বাস্থ্য ও সম্পদ প্রভৃতি নিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবেন।
আল-আসর 103:1
১. মহান আল্লাহ আসরের সময়ের শপথ করেছেন।
আল-আসর 103:2
২. নিশ্চয়ই মানুষ ক্ষতি ও ধ্বংসের মধ্যে নিমজ্জিত।
আল-আসর 103:3
৩. কেবল তারা ব্যতীত যারা আল্লাহ ও তদীয় রাসূলের উপর ঈমান আনয়ন পূর্বক নেক আমল করে এবং একে অপরকে হকের পথে চলা ও এর উপর ধৈর্য ধারণের উপদেশ প্রদান করে। যারা এ সব বৈশিষ্ট্যে গুনান্বিত তারা নিজেদের ইহ ও পারলৌলিক জীবনে মুক্তিপ্রাপ্ত।
আল-হুমাযা 104:1
১. দুর্ভোগ ও কঠিন শাস্তি প্রত্যেক ওই ব্যক্তির জন্য যে বেশী বেশী মানুষের নিন্দা ও তাদের প্রতি দোষারোপ করে।
আল-হুমাযা 104:2
২. যার অর্থ জমা করা ও তা গণনা করা ব্যতীত অন্য কোন চিন্তা নেই।
আল-হুমাযা 104:3
৩. সে ধারণা করে যে, তার সঞ্চিত সম্পদ তাকে মত্যু থেকে বারণ করে রাখবে। ফলে সে দুনিয়াতে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে।
আল-হুমাযা 104:4
৪. এ অর্বাচীন যেমনটি ধারণা করেছে বিষয়টি তেমন নয়। বরং অবশ্যই তাকে এমন জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করা হবে যা তার প্রচÐ আগ্রাসনের ফলে তাতে নিক্ষিপ্ত সকল বস্তুকে ভেঙ্গে চুরমার করে ফেলে।
আল-হুমাযা 104:5
৫. হে রাসূল! আপনি কি সেই অগ্নি সম্পর্কে অবগত, যাতে নিক্ষিপ্ত সকল বস্তুকে সে চুরমার করে ফেলবে?!
আল-হুমাযা 104:6
৬. এটি হলো আল্লাহর প্রজ্জ্বলিত আগুন।
আল-হুমাযা 104:7
৭. যা মানুষের শরীর ভেদ করে অন্তর পর্যন্ত পৌঁছে যায়।
আল-হুমাযা 104:8
৮. এটি শাস্তিপ্রাপ্তদেরকে পরিবেষ্টন করে রাখবে।
আল-হুমাযা 104:9
৯. দীর্ঘ খুঁটিসমূহে। যা থেকে তারা কখনোই বের হতে পারবে না।
আল-ফীল 105:1
১. হে রাসূল! আপনি কি জানেন না যে, আপনার প্রতিপালক আবরাহা ও তার সাথী হস্তী বাহিনীর সাথে তখন কী আচরণ করেছেন যখন তারা কাবাঘর বিধ্বস্ত করতে চেয়েছিলো?!
আল-ফীল 105:2
২. আল্লাহ কি তাদের ধ্বংসাত্মক চক্রান্তকে ব্যর্থ করে দেন নি?! ফলে তারা যেমন মুনুষকে কাবা থেকে বিমুখ করার স্বার্থ উদ্ধার করতে পারলো না তেমনিভাবে এর কোনরূপ ক্ষতি সাধনেও তারা ব্যর্থ হলো।
আল-ফীল 105:3
৩. তাদের বিরুদ্ধে তিনি ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি প্রেরণ করলেন।
আল-ফীল 105:4
৪. যেগুলো তাদের উপর পোড়া মাটির পাথর নিক্ষেপ করে।
আল-ফীল 105:5
৫. ফলে সেগুলো হয়ে গেলো মাড়িয়ে ফেলা চর্বিত ঘাসের ন্যায়।
কুরাইশ 106:1
১. কুরাইশবাসীর অভ্যাস ও আসক্তির ফলে।
কুরাইশ 106:2
২. শীতকালে নিরাপদে ইয়েমেনের প্রতি ভ্রমণ ও গ্রীষ্মকালে সিরিয়ার প্রতি ভ্রমণ।
কুরাইশ 106:3
৩. তাই তারা যেন এককভাবে এ সম্মানিত গৃহের প্রতিপালকের ইবাদাত করে এবং তাঁর সাথে কাউকে শরীক না করে। যিনি তাদের জন্য উক্ত ভ্রমণকে সহজ করে দিয়েছেন।
কুরাইশ 106:4
৪. উপরন্তু যিনি তাদেরকে ক্ষুধায় অন্ন যোগিয়েছেন এবং আরবদের মনে তাঁর ঘর ও এর প্রতিবেশীদের সম্মান ঢেলে দিয়ে তাদেরকে ভয়-ভীতি থেকে নিরাপদ করেছেন।
আল-মাউন 107:1
১. আপনি কি ওকে চিনেন যে কিয়ামত দিবসের প্রতিদানের প্রতি মিথ্যারোপ করে?!
আল-মাউন 107:2
২. সে ওই ব্যক্তি যে এতীমের প্রয়োজন না মিটিয়ে তাকে রূঢ়ভাবে তাড়িয়ে দেয়।
আল-মাউন 107:3
৩. না সে নিজকে বা অন্য কাউকে অভুক্তকে খাদ্য দিতে উৎসাহিত করে।
আল-মাউন 107:4
৪. তাই তো ওই সব নামাযীর জন্য ধ্বংস ও শাস্তি।
আল-মাউন 107:5
৫. যারা নিজেদের নামায সম্পর্কে উদাসীন। সময় পার হয়ে যাওয়া পর্যন্ত এ নিয়ে তাদের কোনরূপ চিন্তা নেই।
আল-মাউন 107:6
৬. যারা নিজেদের নামায ও আমলসমূহে লৌকিকতার আচরণ দেখায়। আল্লাহর উদ্দেশ্যে আমলকে খাঁটি করে না।
আল-মাউন 107:7
৭. অন্যদেরকে এমন সাহায্য দিতে বাধা প্রদান করে যাতে তাদের কোনরূপ ক্ষতি নেই।
আল-কাউসার 108:1
১. হে রাসূল! আমি আপনাকে প্রভ‚ত কল্যাণ দান করেছি। তন্মধ্যে রয়েছে জান্নাতের হাউযে কাউসার।
আল-কাউসার 108:2
২. সুতরাং আপনি এ নিআমতের জন্য আল্লাহর উদ্দেশ্যে এককভাবে নামায প্রতিষ্ঠা ও কুরবাণী সম্পন্ন করার মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করুন। মুশরিকরা যেমন নিজেদের দেবতাদের নৈকট্য লাভের জন্য যবাই করে আপনি তা করবেন না।
আল-কাউসার 108:3
৩. আপনার শত্রæই সব ধরনের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত এবং স্মৃতি থেকে এমনভাবে হারিয়ে যাওয়া লোক যে, তাকে স্মরণ করলে কেবল মন্দ নামেই স্মরণ করতে হয়।
আল-কাফিরুন 109:1
১. হে রাসূল! আপনি বলুন, হে আল্লাহতে অবিশ্বাসী সম্প্রদায়!
আল-কাফিরুন 109:2
২. তোমরা যে সব মূর্তির পূজা করো আমি বর্তমানে কিংবা ভবিষ্যতে তাদের পূজা করবো না।
আল-কাফিরুন 109:3
৩. না তোমরা তাঁর ইবাদাতকারী যাঁর ইবাদাত এককভাবে আমি করে থাকি। যিনি হলেন এক আল্লাহ।
আল-কাফিরুন 109:4
৪. না আমি সে সব মূর্তির পূজারী যেগুলোর পূজা তোমরা করো।
আল-কাফিরুন 109:5
৫. না তোমরা তাঁর ইবাদাতকারী যাঁর ইবাদাত এককভাবে আমি করে থাকি। যিনি হলেন এক আল্লাহ।
আল-কাফিরুন 109:6
৬. তোমাদের জন্য তোমাদেরই বানানো বানোয়াট ধর্ম। পক্ষান্তরে আমার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ ঐশী ধর্ম।
আন-নাসর 110:1
১. হে রাসূল! যখন আপনার দীনের জন্য আল্লাহর সাহায্য-সহযোগিতা আসবে এবং সেই সাথে আসবে মক্কা বিজয়।
আন-নাসর 110:2
২. উপরন্তু আপনি যখন লোকদেরকে দলে দলে ইসলামে প্রবেশ করতে দেখবেন।
আন-নাসর 110:3
৩. তখন আপনি জেনে নিবেন যে, এটি আপনার সাথে আগত মিশনের পরিসমাপ্তির প্রতি ইঙ্গিত। তাই আপনি নিজ প্রতিপালকের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত সাহায্য ও বিজয়ের নিআমতের শুকরিয়া স্বরূপ তাঁর প্রশংসাজড়িত পবিত্রতা বর্ণনা করুন এবং তাঁর নিকট ক্ষমা চান। নিশ্চয়ই তিনি অধিকহারে তাওবা কবুলকারী। তিনি তাঁর বান্দাদের তাওবা কবুল করেন ও তাদেরকে ক্ষমা করেন।
আল-মাসাদ 111:1
১. নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর চাচা আবু লাহাবের হস্তদ্বয় ধ্বংস হয়েছে। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াল্লাম) কে কষ্ট দেয়ার মতো তার মন্দ আমলের কারণে এবং তার প্রচেষ্টাও ব্যর্থ হয়েছে।
আল-মাসাদ 111:2
২. তার সম্পদ ও সন্তান তার কী উপকারে এসেছে?! সেগুলো তার থেকে কোন শাস্তি প্রতিহত করতে পারে নি। আর না তার জন্য কোন রহমত বয়ে এনেছে।
আল-মাসাদ 111:3
৩. অচিরেই সে শিখাবিশিষ্ট আগুনে প্রবেশ করে এর উত্তাপ আস্বাদন করবে।
আল-মাসাদ 111:4
৪. অচিরেই তার স্ত্রী ইন্ধন বহনকারিণী উম্মে জামিলাও আগুনে প্রবেশ করবে। যে পথে কাঁটা বিছেয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে কষ্ট দিতো।
আল-মাসাদ 111:5
৫. তার গলদেশে থাকবে শক্তভাবে পাকানো খেজুর গাছের আঁশের রশি। যা লাগিয়ে তাকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে।
আল-ইখলাস 112:1
১. হে রাসূল! আপনি বলুন: আল্লাহ উলূহিয়্যাতে একক। তিনি ব্যতীত অন্য কোন মা’বূদ নেই।
আল-ইখলাস 112:2
২. তিনি এমন নেতা যাঁর পর্যন্ত পূর্ণতা ও সৌন্দর্যের নেতৃত্ব শেষ হয়ে গিয়েছে এবং তাঁর প্রতি গোটা সৃষ্টি জীব মুখাপেক্ষী।
আল-ইখলাস 112:3
৩. যাঁকে কেউ জন্ম দেয়নি এবং তিনিও কাউকে জন্মাননি। তথা না তাঁর কোন সন্তান আছে এবং না কোন পিতা।
আল-ইখলাস 112:4
৪. না তাঁর সৃষ্টিতে তাঁর কোন সমতুল্য রয়েছে।
আল-ফালাক 113:1
১. হে রাসূল! আপনি বলুন: আমি প্রভাতের প্রতিপালকের সাহায্যে প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নিচ্ছি ও তাঁর নিকট আশ্রয় চাচ্ছি।
আল-ফালাক 113:2
২. কষ্টদায়ক সকল সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে।
আল-ফালাক 113:3
৩. আমি আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাচ্ছি প্রত্যেক সে সব অনিষ্ট থেকে যেগুলো রাত্রিতে প্রকাশ পায়। তথা জীব-জন্তু কিংবা চোর ইত্যাদি।
আল-ফালাক 113:4
৪. আমি তাঁর সাহায্যে প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নিচ্ছি সে সব জাদুকর মহিলাদের থেকে যারা রাত্রিকালীন সময়ে গ্রন্থিতে ফুঁ দেয়।
আল-ফালাক 113:5
৫. আমি তাঁর নিকট হিংসুক যখন হিংসা করে তখন তার অনিষ্ট থেকে প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।
আন-নাস 114:1
১. হে রাসূল! আপনি বলুন: আমি মানুষের প্রতিপালকের সাহায্যে প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা অবলম্বন করছি।
আন-নাস 114:2
২. যিনি মানুষের অধিপতি। যিনি তাদের ব্যাপারে যথেচ্ছ ফায়সালা করেন। তিনি ব্যতীত তাদের অন্য কোন অধিপতি নেই।
আন-নাস 114:3
৩. তিনি তাদের প্রকৃত মাবূদ। তিনি ব্যতীত তাদের কোন প্রকৃত মাবূদ নেই।
আন-নাস 114:4
৪. সেই শয়তানের অনিষ্ট থেকে যে আল্লাহর স্মরণ থেকে মানুষ উদাসীন হয়ে গেলে তাকে কুমন্ত্রণা দিয়ে থাকে। আবার তাঁকে স্মরণ করলে সে পিছিয়ে যায়।
আন-নাস 114:5
৫. সে তার কুমন্ত্রণা মানুষের অন্তরে ঢেলে দেয়।
আন-নাস 114:6
৬. সে মানবরূপী হয়ে থাকে। আবার দানবরূপীও হয়।